পুরী থেকে মহিষাদল, দেশের নানান প্রান্তে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা 

পুরী থেকে মহিষাদল, দেশের নানান প্রান্তে সাড়ম্বরে পালিত হচ্ছে রথযাত্রা 

আরোহী নিউজ ডেস্ক: পুরীর সঙ্গে বাঙালির যোগাযোগ শতাব্দী প্রাচীন। সমুদ্র আর জগন্নাথ দেবের সঙ্গে বাঙালির সম্পর্কও অতি প্রাচীন। দেবদর্শন করতে, তীর্থ করতে সারা বছর ধরেই পুরীতে যান বহু বাঙালি ভক্ত। তবে সবচেয়ে বেশি নজর থাকে রথযাত্রার সময়। এই সময় বিপুল ভক্ত সমাগম হয়। শুধু দেবদর্শনই নয়, পুরীতে জগন্নাথ দেবের সামনে নৃত্য পরিবেশনও ওড়িশি শিল্পীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক তার জন্য়ই এবার বাংলা থেকে ওড়িশার পুরীতে গিয়েছেন একঝাঁক বাঙালি ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন। পুরীতে মন্দিরের সামনে জমাটি নৃত্য পরিবেশন করলেন বর্ধমানের বেশ কিছু শিল্পী। গুরুর সঙ্গে বেশ কয়েকজন শিল্পী চলে গিয়েছেন সেখানে। রথের দিন জগন্নাথের সামনে ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন করা অত্যন্ত সৌভাগ্যের, এমনটাই বললেন এক শিল্পী। সেই কারণে সব শিল্পীদেরই স্বপ্ন থাকে এদিন মন্দিরের সামনে নৃত্য পরিবেশন করার, বললেন বাঙালি শিল্পী।

অন্যদিকে মহিষাদলের রাজবাড়িতে  রথযাত্রা এবার পড়ল ২৪৬ তম বছরে। গত দু’বছর করোনার কারণে রথের চাকা গড়ায়নি। পালকিতে করেই রথের কাছে গিয়ে সেই পালকিতে করেই মাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় জগন্নাথদেব ও মদনগোপাল জিউয়ের বিগ্রহকে।  মহিষাদলের রাজবাড়ির কুলদেবতা মদনগোপাল জিউ। এখানে রথে তোলা হয় জগন্নাথদেব ও মদনগোপাল জিউয়ের বিগ্রহকে। বলরাম, সুভদ্রার বিগ্রহকে রথে তোলা হয় না। আজ সকালে পুজো হয়। দুপুরে হবে রথযাত্রা। ভক্তদের সমাগম হয়েছে মহিষাদল রাজবাড়ির চত্বরে।