ইডেন গার্ডেন্সে এলিমিনেটরের  ‘বিরাট যুদ্ধে’ লখনউকে হারিয়ে জয় পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরু

ইডেন গার্ডেন্সে এলিমিনেটরের  ‘বিরাট যুদ্ধে’ লখনউকে হারিয়ে জয় পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জর্স বেঙ্গালুরু

আরোহী নিউজ ডেস্ক :  আরও একবার ইডেন খালি হাতে ফেরাল না বিরাটকে। বুধবার সন্ধ্যে  সাড়ে ৭টা থেকে  ইডেনে শুরু এলিমিনেটর ম্যাচ। তবে তার আগে থেকেই উৎসবের মেজাজে ইডেন গার্ডেন্স। কাতারে কাতারে সমর্থকরা  মাঠের সামনে উপস্থিত হচ্ছিলেন । কিন্তু ম্যাচ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগে হঠাৎই শুরু হয়  ঝোড়ো হাওয়া তার সঙ্গে ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে পড়ে গেল কভার। সন্ধ্যে ৭টা ৫৫ নাগাদ টস হয়। কে এল রাহুল টসে জিতে  ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন।  কোহলি এবং ডুপ্লেসি ব্যাট করতে নামতেই উচ্ছাসে ফেটে পড়ে গোটা ইডেন। তবে আরসিবিকে শুরুতেই ধাক্কা দেন মহসিন খান। প্রথম বলেই ডি ককের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান আরসিবি অধিনায়ক। ম্যাচের হাল ধরেন কোহলি এবং পতিদার।  অন্যদিকে ৭টি চার এবং ২টি ছয় মেরে নিজের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রজত পতিদার। তিনি একদিক ধরে রাখলেও ১৪ ওভারের মাথায় আউট হয়ে যান মহিপাল লোমররও। এরপরেই ব্যাট করতে নামেন আইপিএলে প্রত্যাবর্তনকারী দীনেশ কার্তিক।  ডিকে এবং পতিদার  জুটি বড় রান খাড়া করতে সাহায্য করে আরসিবিকে। ৪৯ বলে নিজের শতরান পূর্ণ করেন রজত পতিদার এবং আরও একবার দুর্দান্ত ফিনিশারের ভূমিকা পালন করলেন কার্তিক। ২০ ওভার শেষে ২০৭ রান করে বেঙ্গালুরু। ১১২ রান করে অপরাজিত থাকেন রজত পতিদার। ২৩ বলে ৩৭ করে অপরাজিত থাকেন কার্তিক।

রান তাড়া করতে নেমে লখনউ প্রথমেই হারায় ফর্মে থাকা কুইন্টন ডি ককের উইকেট। এরপর লম্বা পার্টনারশিপ হয় কেএল রাহুল এবং দীপক হুডার মধ্যে। হাফ সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক রাহুল। আরসিবির পেস অ্যাটাকের সামনে বিপর্যস্ত দেখাচ্ছিল লখনউয়ের  ব্যাটারদের। জিততে গেলে ৩ ওভারে বাকি ৪১ রান। রাহুল ব্যাট করছেন ৭৭ রানে। উল্টোদিকে হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফিরে গেলেন স্টয়নিস। ১৯ নম্বর ওভারে হ্যাজলউড বল করতে এসেই তুলে নেন কেএল রাহুলকে। তার পরের বলেই আউট হন কুনাল পান্ডিয়া । শেষ ওভারে জিততে গেলে দরকার ছিল  ২৪ রান  তিনটে ডট বল হতেই নিশ্চিত হয়ে যায় আরসিবির জয়। মধ্যরাতে ইডেনে তখন উৎসবের মেজাজ। ১৪ রানে ম্যাচ জিতে কোয়ালিফায়ার টুতে জায়গা করে নিল বেঙ্গালুরু।