টিকে থাকার লড়াই, হাল ছাড়ছে না সার্কাস 

টিকে থাকার লড়াই, হাল ছাড়ছে না সার্কাস 

আরোহী নিউজ ডেস্ক: করোনা কেড়েছে অনেক কিছুই। মাঝে দুবছর বন্ধ ছিল সার্কাসের দরজাও। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে সব কিছুই। শো শুরু হলেও সার্কাসের অবস্থা সেই তথৈবচ। চলছে বেঁচে থাকার লড়াই।

শীতের ট্রেডমার্ক বললেই মনে পড়ে সার্কাসের কথা। বছর তিনেক আগের এই ট্রেন্ডিং লিস্ট পাল্টেছে অনেকটাই। মিঠে রোদ গায়ে মেখে ঘুরে বেড়ানোর সঙ্গে উপরি পাওনা সার্কাসের মজাটাই মাটি হতে বসেছে। কিন্তু জীবনের শো কখনও বন্ধ হয়না, তাই স্পোর্টিং স্পিরিট বজায় রাখতেই তাঁবু খাটিয়ে বসেছে অজন্তা সার্কাস। 

আগের মত বাঘ সিংহের খেলা আর দেখানো হয় না তাই কমেছে আকর্ষণ, তবে সার্কাসের টানে এখনও আসেন বেশ কিছু মানুষ। অজন্তা সার্কাসের ম্যানেজার কিশোর দাস বলেন, যতই প্রতিকূলতা আসুক আমাদের শো চলবে। টিভিতে রঙিন দুনিয়ার হাতছানি যতই মানুষের হাতের মুঠোয় এসেছে ততই দূরে সরে গিয়েছে সার্কাস। তারপরেও চলছে টিকে থাকার লড়াই। 

দীর্ঘদিন কাজ বন্ধ থাকার ফলে কলাকুশলীদের শো'তে সমস্যা হয়। ছোটবেলা থেকেই ট্রেনিং না পাওয়ার কারণে বড় হয়ে খেলা শিখতেও হয় সমস্যা। তবে তার সমাধান ও বের করেছে অজন্তা সার্কাস। ছোটবেলা থেকেই কলাকুশলীদের জিমন্যাস্টিক ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করছেন অজন্তা সার্কাসের মালিক রবিউল হক। যেখানে পড়াশুনোর সঙ্গে সঙ্গেই চলবে সার্কাসের খেলা দেখানোর প্র্যাকটিস। 

দীর্ঘ সময় ধরে সিঁথির এই ময়দানে সার্কাস বসে আসছে। এবছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পারিশ্রমিক স্বল্প হলেও কলাকুশলীদের কাছে উপরি পাওনা দর্শকদের আবেগ। সেই নস্টালজিয়া , আবেগকে বাঁচিয়ে রাখতেই জীবনকে প্রতিনিয়ত বাজি রেখে চলেছেন তারা।