আরোহী নিউজ ডেস্ক: বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন রয়েছে বলেই স্পষ্ট জানাল কলকাতা হাইকোর্ট। মামলার রায়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র আন্দোলনের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে উপাচার্য বিদ্যুত্‍ চক্রবর্তী ও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকেও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ। বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি বজায় রাখা ছাত্র ও কর্তৃপক্ষ উভয়কেই উদ্যোগ নিতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

বিশ্বভারতীর উপাচার্য গৃহের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ জেরে মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতার হাইকোর্টে। সেই মামলার তৃতীয় শুনানিতে, হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ জানায় বহিষ্কৃত তিন পড়ুয়ারাকে পঠন পাঠনে যোগাদান করাতে হবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে উপাচার্য গৃহের নিরাপত্তার জন্য যে তিন সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মতোয়ন করা হয়েছিল তা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শান্তিনিকেতন পুলিশকে। এছাড়াও বিশ্বভারতী পড়ুয়ারাদের আন্দোলনে বহিরাগতদের প্রবেশ হচ্ছে, তা ছাত্র ছাত্রীদের মাথায় রাখতে হবে বলেই জানিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ।

তিন বহিষ্কৃত ছাত্রছাত্রীকে আগেই ক্লাসে ফেরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এবার তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার ক্ষেত্রেও অনুমতি দিয়েছে আদালত। সাসপেন্ড হওয়া অধ্যাপকদের ব্যাপারেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন বিচারপতি জানান, ছাত্র আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন ছিল। ছাত্রদের বুঝতে হবে বাইরের রাজনৈতিক শক্তি তাঁদের ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিতে চাইছে। তাঁরা যেন ব্যবহৃত না হন, সেই বিষয়েও ছাত্রছাত্রীদের সতর্ক করেন বিচারক।