আরোহী নিউজ ডেস্ক :  জোরকদমে ভবানীপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করল রাজ্য নির্বাচন দফতর। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট বাতিলের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার আলিপুরের সার্ভে বিল্ডিংয়ে এই কাজ শুরু হয়েছে। যদিও ওই কাজে সমস্ত রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিতেই ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট বাতিলের কাজ হচ্ছে।

সম্প্রতি রাজ্য নির্বাচন দফতর বাংলায় পাঁচটি কেন্দ্রের বাকি থাকা উপনির্বাচন এবং দু’টি কেন্দ্রে নির্বাচনের জন্য দ্রুত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটের ‘ফার্স্ট লেভেল চেকিং’-এর কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে। অগস্ট মাসের ৩ থেকে ৬ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসককে ওই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই আসনগুলি রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও কোচবিহারের জেলায়। প্রতিটি জেলাকেই ওই ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ করতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন দফতর।

বৃহস্পতিবার সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিকে কোভিড বিধি মেনে ওই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বলেছেন রাজ্য নির্বাচন দফতরের আধিকারিকরা। ভবানীপুর কেন্দ্রে জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহেই ‘ফার্স্ট লেভেল চেকিং’-এর কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই ভবানীপুরে এবার ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট বাতিল করার কাজ এগিয়ে রাখা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটে ত্রুটি ধরা পড়বে, সেগুলি বাতিল করে রাজ্য নির্বাচন দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে উপনির্বাচনের প্রস্তুতিতে অনেকটা এগিয়ে থাকা গেলেও খড়দহ, শান্তিপুর, দিনহাটা এবং বাসন্তী কেন্দ্রের ক্ষেত্রে ‘ত্রুটিপূর্ণ’ ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট বাতিল করা সম্ভব হবে ‘ফার্স্ট লেভেল চেকিং’-এর কাজ শেষ হলে।

প্রসঙ্গত, ভবানীপুর বিধানসভার ক্ষেত্রে জুলাই মাসেই ইভিএম, ভিভিপ্যাট-সহ পোস্টাল ব্যালট পরীক্ষা পদ্ধতির কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতার চারটি বিধানসভা ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ এবং কলকাতা বন্দর কেন্দ্রে যে সব ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট ভোটের কাজে লাগানো হয়েছিল, সেগুলির ‘ফার্স্ট লেভেল চেকিং’-এর কাজও শেষ। যেখানের হাইভোল্টেজ প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।