আরোহী নিউজ ডেস্ক:  বিধানসভায় উপস্থিত থেকেও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে গরহাজির থাকলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে আপাতত তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি। শুভেন্দু অধিকারীর এই অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিকে মোটেই ভাল ভাবে দেখছে না রাজনৈতিক। যদিও শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত না থাকলেও এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য বিধায়করা।

এদিন রাজ্য বিধানসভা ভবনে অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে বসেছিল সর্বদলীয় বৈঠক। তাতে শাসকদলের তরফে উপস্থিত ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুজিত বসু, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, নির্মল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস, সন্ধ্যারানি টুডু, পার্থ ভৌমিক-সহ অনেকেই। বিজেপির তরফে উপস্থিত ছিলেন দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা, সুদীপ মুখোপাধ্যায়, মিহির গোস্বামী, অম্বিকা রায়, বিমান ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, তাপসী মণ্ডলরা।বিজেপি তরফে বিধায়করা উপস্থিত থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে বিরোধী দলনেতা উপস্থিত না থাকা সত্বেও যেভাবে গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন তাতে কি কোন ভাবে শুভেন্দু অধিকারী নিজের গুরুত্ব হারাচ্ছেন?

পিএসি পদে মুকুল রায়ের মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে শাসক দলের সঙ্গে ইতিমধ্যেই তরজা চলছিল বিজেপির। ঠিক সময়ে শুভেন্দু বাবু ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রয়োজনে রাজ্যের বিরোধী দল বিধানসভার কোনও কমিটিতেই থাকবে না। এমনকি বিধানসভা শুরুর আগে প্রথামাফিক যে সর্বদলীয় বৈঠক হয় সেখানেও হাজির হবে না বিরোধী দল। কিন্তু কার্যত তার কথায় বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এদিনের সর্বদলীয় বৈঠক এ উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়করা।

এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর অনুপস্থিতি নিয়ে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, “উনি ব্যস্ত মানুষ। তবে উপস্থিত থাকলে ভালো লাগত”। এদিন সর্বদলীয় বৈঠকের আগে বিজেপি পরিষদীয় দল বৈঠকে বসে। সেখানে ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আগামী দিনে কি স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়। সেই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন শুভেন্দু বাবু। কিন্তু সর্বদলীয় বৈঠকের শুভেন্দু অধিকারীর এই গরহাজির কে ভালো চোখে দেখছে না গেরুয়া শিবিরও।