আরোহী নিউজ ডেস্ক,কলকাতা: পাকিস্তানের এই অভিনেত্রী নাকি মহেশ ভট্টের কাছে চড় খেয়েছিলেন?হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন।আবার শোনা যায় তাকে নাকি মানসিক হাসপাতালে ও ভর্তি করা হয়েছিল।তবে কেন তিনি চড় খেয়েছিলেন?কে সেই অভিনেত্রী?আসুন জেনে নেওয়া যাক।

নাম ইরতিজা রুবাব।অবশ্য ললিউড ও বলিউডে তিনি মীরা হিসেবেই জনপ্রিয়।মীরার জন্ম ১৯৭৭ সালের ১২ই মে।এরপর তিনি তার অভিনয়ের জীবন শুরু করেন ১৯৯৫ সালে,যদি ও সম্মাননা পেয়েছেন ১৯৯৯ সালে।পাকিস্তানের “খিলোনা” ছবিতে অভিনয়ের পর থেকেই দর্শকমহলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন মীরা।এরপর অন্যান্য সিনেমা ও ধারাবাহিকেও দেখা যায় তাকে।

পাকিস্তানের এই অভিনেত্রীর শখ জাগে ললিউডের পাশাপাশি বলিউডে ও তিনি নাম তুলে ধরতে চান আর তাই ২০০৫ সালে বলিউডের অন্দরমহলে প্রবেশের লক্ষ্যে ভারতে আসেন।২০০৫ সালে ‘নজর’ ছবিতে কাজ করেন।এরপর ‘কসক’ ও ‘পাঁচ ঘণ্টে মে পাঁচ করোড়’ ছবিতেও অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে।কিন্তু এই তিনটি ছবির কোনোটাই বক্স অফিসে বাজিমাত করতে পারেনি।

বলিউডে আসার পর অনেক পরিচালকের কাছেই চোখের মনি হয়ে ওঠেন মীরা।কিন্তু মহেশ ভট্ট তা মানতে নারাজ ছিলেন।আর তাই একবার মহেশ কে না জানিয়ে অন্য এক পরিচালকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে মহেশ তা জানতে পারে এবং রাগের বশে মীরাকে চড় ও মারেন।এরপর মীরা সংবাদমাধ্যমের সামনে এই ব্যাপারে মুখ খুললে চিরকালের জন্য বলিউডের দরজা তার জন্য বন্ধ করে দেন মহেশ ভট্ট।

অপরদিকে মানসিক হাসপাতালেও যেতে হয়ে মীরাকে।সম্প্রতি আমেরিকায় তিনি ছবির একটি কাজে যান।সেখানে তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক নিতে যান।আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি।ইংরেজিতে কথা শুরু করেন সেখানকার মানুষদের সঙ্গে।ইংরেজি উচ্চারণ শুনে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা এবং তাকে মানসিক হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দেন।এরপর কয়েকদিন তিনি সেখানে থাকেন।অবশেষে তার মা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কাছে এই ব্যাপার জানালে,ওই হাসপাতাল থেকে তাকে মুক্তি দিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

সব মিলিয়ে চিরকাল নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে সংবাদপত্রের শিরোনামেই থেকে গেলেন মীরা।