"আমিও দলত্যাগ করতে পারি", অর্জুন-প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের 

"আমিও দলত্যাগ করতে পারি", অর্জুন-প্রসঙ্গে মন্তব্য দিলীপ ঘোষের 

আরোহী নিউজ ডেস্ক:  ত্রিপুরায় পুরভোটের ফলাফল আজ। আর তা নিয়ে আপাতত রাজ্য-রাজনীতি সরগরম। ত্রিপুরায় তৃণমূল একটি সিট পেয়ে খাতা খুললেও ভোটের ফলাফলে বিজেপির পালে হাওয়া লেগেছে। যদিও দিলীপ ঘোষ এনিয়ে সকালেই বলেছেন, "আমার তো মনে হয় একটি সিটও তৃণমূল পাবে না। যদি কোথাও বিজেপি প্রার্থী না দিয়ে থাকে, হয়ত জিততে পারে। মনে তো হচ্ছে শুধু লাফালাফিটাই হয়েছে। কাজের কাজ কিছু হবে না। আর এখান থেকে সব ধার করে নিয়ে গিয়ে কি ওখানে জেতা যায়? ওখানকার লোক ঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন।  

দিলীপ ঘোষ তৃণমূলকে কটাক্ষ করে বলেন, "এটাই স্বাভাবিক তৃণমূলে। কেউ কেউ তো পার্টি থেকে পদত্যাগও করেছে। টিএমসি-র মধ্যে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে। পার্টি বলে কিছু নেই, পুলিশ আছে আর গুন্ডা আছে। গুলি গোলা দিয়ে সরানো হচ্ছে। পার্টিকে সামলাতে পারছে না, সেজন্য ত্রিপুরা আর গোয়া দেখানো হচ্ছে। নির্বাচন তো এক তরফা হয়, জানে টিকিট পেলেই জিতে যাব। সে জন্যই মারামারি হচ্ছে।"

সম্প্রতি ভাটপাড়ার বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং নাকি বেসুরো হতে শুরু করেছেন। বিজেপির পুরভোট সংক্রান্ত বৈঠকেও তিনি গরহাজির ছিলেন। যদিও অর্জুন সং প্রকাশ্যে কিছুই জানান নি। সেই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, ''আমাকে নিয়েও জল্পনা হচ্ছে, আমিও নাকি দল ত্যাগ করছি।''

তৃণমূল ও কংগ্রেস ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিলেও বিজেপির তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আসন্ন পুরভোটের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হয়নি। সেই বিষয়ে দিল;ইপি ঘোষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, "আমাদের পার্টি একটা সিস্টেমে অনুযায়ী চলে। বিধানসভার সময় অনেকেই লাফালাফি করেছে। খাতাই খুলতে পারেনি। ব্রিগেডেও বড় সভা করেছে। কিন্তু বিধানসভায় কী রেজাল্ট হয়েছে! রাজনীতিতে সমস্ত পার্টি নিজস্ব স্টাইলে চলে। আমরা সর্বভারতীয় পার্টি। যথা সময়ে ঠিক ঘোষণা হয়ে যাবে। আমাদের যারা কর্মী আছেন, তাদের প্রার্থী করার চান্সটাই বেশি এবং নির্বাচনে জেতার জন্যই আমরা লড়ি আর জেতার সম্ভাবনাটাই এবার বেশি।"