শপথের ৩০ তম দিনে সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের বার্তা হিমন্তর, জবরদখল নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি

81

আরোহী নিউজ ডেস্ক: অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা রাজ্যে দারিদ্রতা কম করার জন্য সংখ্যালঘুদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ওনার সরকার মন্দির, বনভূমি সহ কোথাও জমি দখল বরদাস্ত করবে না। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ৩০ দিন পূর্ণ করার পর বৃহস্পতিবার তিনি এই বার্তা দিয়েছেন।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা রাজ্যের সংখ্যালঘুদের আবেদন করে বলেছেন যে, তাঁরা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যেন পরিবার নিয়োজন নীতি আপন করে। তিনি বলেন, দারিদ্রতার প্রধান কারণ হচ্ছে বেড়ে চলে জনসংখ্যা। আর এই কারণে সবাইকে এগিয়ে এসে এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারের সমর্থন করা উচিৎ।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘সরকার গরিবদের সুরক্ষা দেওয়া আর তাঁদের জন্য কাজ করতে প্রতিবদ্ধ। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য সংখ্যালঘুদের সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে, কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণেই দারিদ্রতা আর অশিক্ষার মতো সমস্যার সৃষ্টি হয়।”

অসমের মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন যে, ওনার সরকার সংখ্যালঘু মহিলাদের শিক্ষিত করার ক্ষেত্রে কাজ করবে। এরফলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। মুখ্যমন্ত্রী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিজের সম্প্রদায়ের মানুষকে সচেতন করাই আপনার কাজ।

পাশাপাশি অসমের মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন যে, ওনার সরকার কোনও পরিস্থিতিতেই মন্দির, বনভূমির জমিতে দখলদারি বরদাস্ত করবে না। তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার পর হিমন্ত বিশ্বশর্মা গোরক্ষার সমর্থন করে পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, যেখানে হিন্দুরা থাকে সেখানে কোনওরকম ভাবেই গোহত্যা বরদাস্ত করা হবে না। এছাড়াও তিনি বিজেপির ঘোষণাপত্রের কথা উল্লেখ করে সরকারি জমি, মন্দির আর বনভূমি থেকে দখলদারি হটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ওনার নির্দেশের পরই প্রশাসন অ্যাকশন নিয়ে ৪০০ বিঘা জমি অধিগ্রহণ থেকে মুক্ত করিয়েছে।