আরোহী নিউজ ডেস্ক: এসডিএম-এর মামলার ভিত্তিতে আগাম জামিন নিলেন আইপ্যাক কর্মীরা। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে জামিন নিলেন ২৩ জন কর্মী।বৃহস্পতিবার ACJM এজলাসে ১০০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান তাঁরা। তাঁদের হয়ে এদিন আদালতে সওয়াল করলেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষ বিশ্বাস। গত কয়েকদিন যাবত্‍ তাঁদের ‘গৃহবন্দী’ করে রাখা হয়েছিল একটি হোটেলে। বৃহস্পতিবার তাঁদের জামিনের আবেদনের শুনানি হয় ACJM এজলাসে।

এদিন পিকের টিম আইপ্যাকের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষ বিশ্বাস। মামলায় মহামারী আইন ভাঙতে পারেন এই যুক্তিতে জামিন দেওয়ার বিরোধিতা করেন সরকারি পক্ষের উকিল।

কোভিড পরীক্ষার পরে তাঁদের মহামারি আইনে তলব করা হয়েছে। যদিও তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্য, এই ভাবে সমন পাঠানো আসলে ত্রিপুরা সরকারের ভয়ের লক্ষ্মণ। গতকাল ত্রিপুরায় পৌঁছেছিলেন মলয় ঘটক, ব্রাত্য বসু এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন আগরতলায় পৌঁছেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত খবর, আগরতলার একটি হোটেলে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যে বৈঠক করতে চেয়েছিল। কিন্তু পুলিশ এখনও অনুমতি দেয়নি। তা নিয়ে বিপ্লব দেব সরকারের সঙ্গে চাপানউতোর চলছে ঘাসফুল শিবিরের। তবে ২৩ জন আইপ্যাক কর্মীর আগাম জামিন মঞ্জুর হওয়ায় স্বস্তিতে তৃণমূল।