আরোহী নিউজ ডেস্ক: ত্রিপুরায় আইপ্যাকের ২৩ জন কর্মীকে আটকে রাখার ঘটনায় ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে তৃণমূল। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল ত্রিপুরার
মার্স নামক একটি হোটেলে। কিন্তু সেখানেই তাঁদের বৈঠকে ত্রিপুরা প্রশাসন বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে।

আইপ্যাকের ২৩ জন কর্মীকে ত্রিপুরায় আটকে রাখার প্রতিবাদে দফায় দফায় সেই রাজ্যে গিয়েছেন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পৌঁছেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এদিন তাদের বৈঠক করতে গেলে ত্রিপুরার পুলিশের থেকে অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়ে দিলো সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এমনকি অনুমতি না দিলে কোন ভাবেই মিটিং করা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ত্রিপুরা প্রশাসনের তরফে।

জানা গিয়েছে, এদিন ত্রিপুরার মার্স নামক একটি হোটেলে সাংগঠনিক বৈঠক চলছিল তৃণমূলের। উপস্থিত ছিলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার সহ ব্রাত্য বসু, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটক। সেখানেই হঠাৎ করে ত্রিপুরার থানার পুলিশ এসে বৈঠক বন্ধ করতে বলে। তাঁদের তরফে জানানো হয়, অনুমতি না নিয়ে কোনভাবেই বৈঠক করা যাবে না। সাংগঠনিক বৈঠক করতে গেলে জেলাশাসকের অনুমতি বাধ্যতামূলকভাবে নিতেই হবে। এদিকে এই বিষয়ে স্থানীয় থানার সঙ্গে কথা বলেও কোন লাভ হয়নি বলেই জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

এদিকে এই পুরো বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তার কথায়, “খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে তাই ভয় পেয়েছে ওরা।” প্রসঙ্গত, বুধবার দলের সাংগঠনিক বৈঠকে যোগদান করতে ত্রিপুরা পৌঁছেছেন ব্রাত্য বসু, মলয় ঘটক, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরে যেদিন সেখানে পৌঁছান ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদার। আগামীকাল ত্রিপুরায় যাওয়ার কথা রয়েছে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর। কিন্তু তার আগেই এদিন সাংগঠনিক বৈঠকের অনুমতি নিয়ে ফের শুরু হয় বিতর্ক।